হঠাৎ কোড়ে প্রেসার কমে গেলে ৬ টি করণীয় বিষয়

হঠাৎ কোড়ে প্রেসার কমে গেলে ৬ টি করণীয় বিষয়

প্রেসার কমে গেলে ৬ টি করণীয় বিষয়, হঠাৎ প্রেসার কমে যাওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হলো অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা ইত্যাদি। প্রেসার কমলে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড়, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে অসুবিধা হতে দেখা দেয়। তাই প্রেসার কমে গেলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। 

১. স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং যেকোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেয়ে নিতে পারেন।

২. ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে। পুদিনাপাতা বেটে এতে মধু মিশিয়ে পান করলে কাজে দেবে।

৩. লবণে আছে সোডিয়াম, যা রক্তচাপ বাড়ায়। তবে বেশি লবণ না খাওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে চিনি বাদ দিন।

৪. আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে পান করুন। এছাড়া, দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

৫. বিটের রস হাই ও লো প্রেসার- উভয়টির জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

৬. হাইপার টেনশনের ওষুধ হিসেবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে কিসমিস। আধা কাপ কিসমিস সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিসমিস ভেজানো পানি খেয়ে নিন। এছাড়া, পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।

এক সবজিতেই প্রতিরোধ হবে স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও সর্দি-কাশি

প্রেসার কমে গেলে ৬ টি করণীয় বিষয়

এক সবজিতেই প্রতিরোধ হবে স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও সর্দি-কাশি

করলা একটি সহজপ্রাপ্য সবজি। কিন্তু খেতে একটু তেতো। এ কারণে আজকের প্রজন্মের বেশির ভাগ ছেলেমেয়েই এই সবজিটি খুব একটা ভালবেসে খায় না। কেবল ছোটরাই নয়, এমনকি বয়স্করাও যে খুব পছন্দ করেন তাও নয়। কিন্তু যদি শোনেন, ডায়াবেটিসসহ আরও বেশ কিছু রোগের যম এই করলা, তা হলে নিশ্চয়ই মন বদলাতে বাধ্য!

হ্যাঁ, ডায়াবেটিসের মোক্ষম দাওয়াই হিসেবে করলার কথাই বলছেন আধুনিক চিকিৎসকরা। কিন্তু কেন? গবেষণায় দেখা গেছে, করলায় প্রধানত তিনটি উপাদান রয়েছে। যথা: পলিপেপটাইড পি, ভাইসিন, চ্যারনটিন। এই তিনটি উপাদান এক যোগে রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে পলিপেপটাইড পি-এর ভূমিকা অনেকটা ইনসুলিনের মতো।

কিন্তু কতটা খাব?  কীভাবেই বা খাব? জার্নাল অব এথনোফার্মোকলজিতে একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ, চার সপ্তাহ পরীক্ষার পরে একদল চিকিৎসক জানিয়েছেন, প্রতিদিন ২ গ্রাম করে করলা ডায়েটে রাখলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে শর্করার পরিমাণ তাৎপর্যপূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকবে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন সকালেই খালি পেটে এক কাপ করলার জুস খেয়ে নেওয়ার।

ডায়াবেটিসসহ আরও বেশ কিছু রোগের যম করলা।

শুধু শর্করা নিয়ন্ত্রণই নয়, করলা আরও নানা গুণের অধিকারী। জ্বর, ঋতুকালীন যন্ত্রণা, সর্দি-কাশির সমস্যাতেও কাজ দেয় এই করলা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন করলার রস ব্রেস্ট ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করতে সক্ষম।

এই আগুন বাজারেও  করলার দাম সস্তা। স্বাদের কথা না ভেবে, শরীরের কথা ভেবে ডায়েটে করলা যোগ করুন, তাতে এই সব মারাত্মক রোগ থেকে রেহাই পাবেন সহজেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *