টয়লেট চেপে রাখলে কী হয় জানেন?

টয়লেট চেপে রাখলে ক্ষতি

টয়লেট চেপে রাখলে ক্ষতি , কাজের চাপে টয়লেটে যাওয়ার সময়টুকুও পান না? অথবা বাইরে বের হলে অস্বাস্থ্যকর টয়লেট এড়িয়ে চলতে গিয়ে ঠিক সময়ে টয়লেট করাই হয় না ।

বাড়িতে থাকলেও অনেক সময় অলসতা করে টয়লেট চেপে রাখার অভ্যাসও টয়লেট অনেকের।

টয়লেট চেপে রাখলে ক্ষতি

কিছুই হবে না ভেবে দীর্ঘ সময় টয়লেট চেপে রাখার অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিন। কারণ আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর না

হলেও এই অভ্যাসই আপনাকে ফেলতে পারে ভয়ঙ্কর সব বিপদে। শারীরিক নানা সমস্যা তো দেখা দেবেই এমনকী অনেকগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকলও হতে পারে!

জেনে নিন টয়লেট চেপে রাখলে কী হতে পারে?

১) ব্লাডারের ক্ষতি: 

আমাদের শরীরের তরল বর্জ্য দেহের ঘাম এবং মূত্রে পরিণত হয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু আপনি ইউরিনেট না করলে, তা তো ব্লাডারে জমতে থাকে অনেকক্ষণ ধরে।

ব্লাডারের উপর চাপ বাড়তে থাকে। ব্লাডারের পেশিগুলোর উপর প্রভাব পড়ে, ব্লাডারের আয়তনও বেড়ে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন এভাবে চেপে রাখার ফলে অনেকের এতটাই সমস্যা হয় যে, ব্লাডারের অপারেশনও করতে হয়।

২) ব্যথা: 

যতবার আপনি টয়লেটে না গিয়ে চেপে রাখছেন তাতে আপনার ব্লাডারে চাপও বাড়ছে। আর এই চাপ থেকেই একটা সময় দেখবেন যন্ত্রণা হচ্ছে।

যেটা কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। অনেকে ভেবে নেন, যন্ত্রণাটা কিছুক্ষণ সহ্য করে নিলেই পরে সমস্যা থেকে মুক্তি। কিন্তু না।

অনেক দিনের এই যন্ত্রণা তো এক দিনের নয়। তই এর ভোগান্তিও অনেকটাই।

৩) ইউটিআই: 

ব্যাকটেরিয়ার ভয়ে অনেকেই পাবলিক টয়লেট বা বাইরের যেকোনো টয়লেট এড়িয়ে চলেন।

কিন্তু দীর্ঘ সময় টয়লেট চেপে রাখার কারণে আপনার শরীরে কোনো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকলে সে আনন্দে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে।

সেখান থেকে আপনার ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়। ইউটিআই থেকে আরও নানা সমস্যা হতে পারে।

এই ইউটিআই যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪) কিডনির ক্ষতি: 

ব্লাডারের ক্ষতির পাশাপাশি কিডনিরও সমস্যা দেখা দেয় টয়লেট চেপে রাখলে। আমাদের শরীরের পানি পরিশোধনের দায়িত্বে থাকে এই কিডনি।

ফলে আপনি যখনই টয়লেট না করে চেপে রাখছেন, কিডনি দুটিতেও চাপ বাড়ছে। এমনকী অনেকের কিডনি স্টোনের কারণও অনেকক্ষণ ইউরিন চেপে রাখা।

এখন আপনি একটু ভেবে দেখুন, এই ক্ষতিকর দিকগুলো জানার পরেও কি আপনি টয়লেট চেপে রাখবেন না কি সময় হলেই টয়লেটে যাবেন? Paragraph

নিজেকে সুস্থ রাখতে না পারলে কিন্তু আরও বেশি মুশকিলে পড়তে হবে। তাই নিজেকে সুস্থ রাখা সবার আগে জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *